গাবাদিপশুর কৃত্রিম প্রজননের জন্য কিছু সাবধানতা


নমস্কার, রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন ও শস্যশ্যমলা কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র দ: ২৪পরগনা যৌথ উদ্যোগে গবাদিপশুর কৃত্রিম প্রজননের সাবধানতা সম্বন্ধে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়া হচ্ছে।
১. গাভী গরম আছে কিনা অর্থাত্‍ প্রজনন চক্রের ইস্ট্রাস অবস্থায় আছে কিনা তা দেখা দরকার। গাভির গরম হওয়ার লক্ষন প্রকাশ পাওয়ার পর ঠিক ১০ থেকে ১২ ঘন্টার মধ্যে গাভীকে প্রজনন করানো উচিত ।
২. যোনিদ্বার ভালভাবে পরিস্কার করে তারপর ক্যাথিটার বা এ আই গান ঢোকানো উচিত।
৩. ক্যাথিটার বা এ আই গান জরায়ুর মধ্যে ঢোকাতে গিয়ে যেন ইউরেথ্রা বা ডাইভারটিকুলামে না ঢোকে সে দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে ।
৪.জরায়ুর মধ্যে বীর্য প্রতিস্থাপন করা দরকার, না পারলে জরায়ুর মুখে বীর্য প্রতিস্থাপন করতে হবে। তবে কনো অবস্থাতেই যোনির মধ্যে বীর্য প্রতিস্থাপন করা উচিত নয় ।
৫ . প্রজননের কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি যেন জিবাণুমুক্ত হয় সেদিকে নজর দেওয়া বিশেষ প্রয়োজন ।
৬. প্রজনন করানোর পর প্রথম তিনমাসের মধ্যে কখনো কখনো গাভী আবার গরম হতে পারে। একে গর্ভা বস্থাকালিন গরম হওয়া বলা হয়। তাই প্রজনন করানোর আগে গাভিটিকে ঠিকমতো পরিক্ষা করা দরকার। এবং, কখনোই ক্যাথিটার জরায়ুর খুব বেশি ভিতরে ঢোকানো উচিত নয় ।
৭. ৩-৪ কিলোমিটার বেশি দূর থেকে গাভীকে নিয়ে আসা হলে প্রজনন করানোর আগে গাভিকে বিশ্রাম করানো উচিত। এবং প্রজননের সময় গাভিকে বিরক্তি করা উচিত নয় ।
৮.প্রতিটি গাভির জন্য প্রজনন-সংক্রান্ত আলাদা আলাদা কার্ড থাকা উচিত। তথ্যটি শোনার জন্য ধন্যবাদ।

Content Files
Content Comments
Likes Dislikes
Comment Author Date
Be the first to post a comment...
Content Tags