নবজাত বাছুরের পরিচর্যা

নমস্কার, রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন ও শস্যশ্যমলা কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র দ: ২৪পরগনা যৌথ উদ্যোগে নবজাত বাছুরের পরিচর্যা সম্বন্ধে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়া হচ্ছে।
বাছুর ভূমিষ্ট হওয়ার পরই গাভী জিভ দিয়ে চেটে তার শরীর পরিস্কার করে। এতে শরীর তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যায় এবং শ্বাসকার্য ও রক্তচলাচল উদ্দীপিত হয়। পিছনের পা ধরে বাছুরকে তুলতে হবে যাতে মাথাটা নীচের দিকে হয়। এতে শ্লেষ্মা বেরিয়ে যেতে পারে। খড়ের কুটো দিয়ে নাকের ফুটোর মধ্যে আলতোভাবে স্পর্শ করাতে হবে। এতে বাছুরের হাঁচি হবে এবং শ্লেষ্মা বেরিয়ে যাবে। শীতকালে প্রসব হলে বাছুর অনেকসময় ঠান্ডায় কাঁপে। এই সময় পাশে আগুন জালিয়ে এবং পরিস্কার বস্তা বা চট ঢাকা দিয়ে শুকনো উরুবিল্ব উপর বাছুর কে রাখতে হবে। নবজাত বাছুরের নাভির যত্ন নেওয়া বিশেষ প্রয়োজন কারন নাভির মধ্যে রোগজীবাণু প্রবেশ করে।আয়োডিন দ্রবণের ৭% ডুবিয়ে দিন এবং ১২ ঘন্টা পরে পুনরাবৃত্তি করুন। খারাপভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা নাভি হল গুরুতর সংক্রমণের প্রবেশদ্বার।একটি নতুন জন্ম নেওয়া বাছুরকে জন্মের প্রথম ২ ঘন্টার মধ্যে ২ লিটার গাঁজলা দুধ এবং জন্মের ১২ ঘন্টার মধ্যে ১-২ লিটার (আকারের উপর ভিত্তি করে) দিতে হবে।ভাল বৃদ্ধি এবং তাড়াতাড়ি পরিপক্কতার জন্য ২-৮ সপ্তাহের মধ্যে কাফ স্টার্টার প্রদান করুন। অনেক সময় বাছুরের পায়খানদ্ধার বন্ধ থাকে পায়খানা হয় না। এই অবস্থায় ২-৩ দিন থাকলে বাছুরের মৃত্যু হতে পারে। তাই এই রকম অবস্থায় সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় পশুচিকিত্সক পরামর্শ নিতে হবে। একটি ছোট অপারেশন দ্ধারা এই অসুবিধা ঠিক হয়ে যায়। ধন্যবাদ।

Content Files
Content Comments
Likes Dislikes
Comment Author Date
Be the first to post a comment...
Content Tags