নমস্কার। রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন ও প্রাণী সম্পদ উন্নয়ন বিভাগ, পূর্ব বর্ধমান এর যৌথ উদ্দোগে নবজাত বাছুরের খাদ্য ব্যবস্থাপনা সম্বন্ধে তথ্য প্রদান করা হচ্ছে ।
বাছুর জন্মানোর পর তাকে গাঁজলা দুধ খাওয়াতে হবে। যে হলুদ রং দুধ টা বের হয় তাকে গাঁজলা দুধ বা কোলস্ট্রাম বলে। এই কোলস্ট্রাম মধ্য প্রচুর পুষ্টিকর পদার্থ থাকে প্রোটিন অনেকেটা থাকে ভিটামিন থাকে অনেকে মিনারেলস থাকে এছড়াও এর মধ্য থাকে অ্যান্টিবডি। মায়ের শরীর থেকে অ্যান্টিবডি কোলস্ট্রাম দুধের মধ্য চলে আসে সেই দুধ খেলে বাছুর এর মধ্য রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা তৈরী হয় যেটা কিনা বাছুরের পেট এর অসুখ প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে। বাছুর কে প্রথম তিন সপ্তাহ শুধু মায়ের দুধ খাবে আর কিছু খাবে না। তিন সপ্তাহ পরের থেকে অল্প করে নরম ঘাস খাওয়ানো শুরু করতে হবে। চার সপ্তাহ থেকে দুধের পরিমানে আস্তে আস্তে কমিয়ে নরম ঘাস এর পরিমাণ বাড়তে হবে। দুই মাস বছরে যখন হবে তখন দুধ এর পরিমান অনেকেটাই কমিয়ে ঘাস এবং দানাদার খাবার অর্থাৎ খোল, ভুসি নির্ভর করাতে হবে। তিন মাস বয়স হলে সম্পূর্ণ দুধ বন্ধ করে দিয়ে সবুজ ঘাস এবং দানাদার খাবার বাছুরকে খাওয়াতে হবে এটাই হচ্ছে মোটামুটি বাছুরের বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্যের ব্যবস্থা। তথ্যটি শোনার জন্য ধন্যবাদ
| Comment | Author | Date |
|---|---|---|
| Be the first to post a comment... | ||