নমস্কার। রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন ও বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে কেঁচো সার তৈরীর সাধারন ও সহজ পদ্ধতি সম্বন্ধে তথ্য প্রদান করা হচ্ছে।
(১) জৈব বর্জ্য পদার্থ, গোবর, মাটি, ও খামারের সার, ১২:৩:১:১ অনুপাতে নিয়ে একটি মিশ্রণ তৈরি করতে হবে।
(২) উপরোক্ত মিশ্রণটিকে একটি স্তুপ তৈরি করে প্রায় ১০ দিন রাখতে হবে যাতে জৈব পদার্থ গুলির আংশিক পচন হয়।
(৩) একটি একশো কুড়ি সেন্টিমিটার চওড়া এবং 50 সেন্টিমিটার গভীর গর্ত খুঁড়তে হবে। গর্ত দৈর্ঘ্য নির্ভর করে কি পরিমান সার উৎপাদন করা হবে তার ওপর।
(৪) গর্তের উপর ছাউনি তৈরি করতে হবে এরপর গর্তের মেঝেতে পাথরকুচি কিংবা ইটের টুকরো দিয়ে একটি স্তর তৈরি করতে হবে এবং ওই স্তরের উপর বালি দিয়ে আরেকটি স্তর তৈরি করতে হবে। যাতে অতিরিক্ত জল জমা হতে না পারে।
(৫) বালির উপর গোটা খড় বিছিয়ে আর একটি স্তর তৈরি করতে হবে।
(৬) আবর্জনা স্তুপ থেকে আংশিক পচা জৈব দ্রব্য নিয়ে ঠান্ডা করার পর খড় উপর সমানভাবে বিছিয়ে দিতে হবে এবং সামান্য জলের ছিটা দিতে হবে। যাতে স্তূপে ৩০-৪০ শতাংশ আদ্রতা বজায় থাকে।
(৭) এর উপর প্রাপ্তবয়স্ক কেঁচো ছেড়ে দিতে হবে প্রতি কেজি জৈব দ্রব্য জন্য ১০ টি কেঁচো।
(৮) ভেজা চটের বস্তা দিয়ে স্তূপটি ঢেকে দিতে হবে। প্রায় ৫০-৬০ দিন পর যদি চটের বস্তা এর ঠিক নিচে কালো তামাটে রঙের দানাদার পদার্থ দেখা যায় তবে বোঝা যাবে স্যার তৈরি হয়ে গেছে।
(৯) চটের বস্তা সরিয়ে উপর থেকে সার বের করে আনতে হবে। তারপর আংশিক পচা জৈব দ্রব্য আবার আগের মত ছড়িয়ে দিয়ে কেঁচো সার তৈরীর পদ্ধতিটি পুনরায় শুরু করা যাবে।
আরো বিস্তারিত জানতে হলে রিলায়্যান্স ফাউন্ডেশন এর নি:শুল্ক হেল্প লাইন নম্বর এ কল করুন-১৮০০-৪১৯-৮৮০০। তথ্যটি শোনার জন্য ধন্যবাদ
| Comment | Author | Date |
|---|---|---|
| Be the first to post a comment... | ||
Copyright © 2026 Reliance Foundation. All Rights Reserved. Terms & Conditions. Privacy Policy.